'চৌকাঠ' কোন সমাস?
'চৌকাঠ' কোন সমাস?
-
ক
দ্বিগু
-
খ
বহুব্রীহি
-
গ
কর্মধারয়
-
ঘ
তৎপুরুষ
- ✅ সঠিক উত্তর (B): 'চৌকাঠ' শব্দটি একটি বহুব্রীহি সমাস (বিশেষভাবে এটি সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি)। এর ব্যাসবাক্য হলো: 'চৌ (চার) কাঠ যেটির'। এখানে 'চৌ' বা 'কাঠ' কোনোটির অর্থই প্রধান নয়, বরং এটি দ্বারা দরজার কাঠামো বা ফ্রেমকে বোঝানো হচ্ছে।
- ভুল অপশন (A): দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। 'চৌকাঠ' দ্বারা কাঠের সমষ্টি না বুঝিয়ে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝায় বলে এটি দ্বিগু নয়।
- ভুল অপশন (C): কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। এখানে অর্থের কোনো পরিবর্তন বা পরপদের প্রাধান্য নেই।
- ভুল অপশন (D): তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়। 'চৌকাঠ' শব্দের গঠনে বিভক্তি লোপের কোনো ভূমিকা নেই।
বহুব্রীহি সমাস
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যথা— বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। এখানে ‘বহু’ কিংবা ‘ব্রীহি' কোনোটিরই অর্থের প্রাধান্য নেই, যার বহু ধান আছে এমন লোককে বোঝাচ্ছে।
বহুব্রীহি সমাসে সাধারণত যার, যাতে ইত্যাদি শব্দ ব্যাসবাক্যরূপে ব্যবহৃত হয়। যথা : আয়ত লোচন যার আয়তলোচনা (স্ত্রী), মহান আত্মা যার মহাত্মা, স্বচ্ছ সলিল যার স্বচ্ছসলিলা, নীল বসন যার = নীলবসনা, স্থির প্রতিজ্ঞা যার = স্থিরপ্রতিজ্ঞ, ধীর বুদ্ধি যার = ধীরবুদ্ধি।
‘সহ’ কিংবা ‘সহিত’ শব্দের সঙ্গে অন্য পদের বহুব্রীহি সমাস হলে ‘সহ' ও 'সহিত' এর স্থলে ‘স’ হয়। যেমন : বান্ধবসহ বৰ্তমান সলজ্জ, সকল্যাণ ইত্যাদি। = সবান্ধব, সহ উদর যার সহোদর > সোদর। এরূপ– সজল, সফল, সদৰ্প,
বহুব্রীহি সমাসে পরপদে মাতৃ, পত্নী, পুত্র, স্ত্রী ইত্যাদি শব্দ থাকলে এ শব্দগুলোর সঙ্গে ‘ক’ যুক্ত হয়। যেমন : নদী মাতা (মাতৃ) যার = নদীমাতৃক, বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার = বিপত্নীক। এরূপ -সত্ৰীক, অপুত্রক ইত্যাদি। বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদে ‘অক্ষি' শব্দের স্থলে ‘অক্ষ' এবং ‘নাভি' শব্দ স্থলে ‘নাভ’ হয়। যেমন : কমলের
ন্যায় অক্ষি যার কমলাক্ষ, পদ্ম নাভিতে যার=পদ্মনাভ। এরূপ – ঊর্ণনাভ ৷
বহুব্রীহি সমাসে পরপদে ‘জায়া' শব্দ স্থানে ‘জানি' হয় এবং পূর্বপদের কিছু পরিবর্তন হয়। যেমন : যুবতী জায়া যার = যুবজানি (যুবতী স্থলে ‘যুব’ এবং ‘জায়া' স্থলে জানি হয়েছে)। বহুব্রীহি সমাসে পরপদে ‘চূড়া' শব্দ সমস্ত পদে ‘চূড়’ এবং ‘কর্ম’ শব্দ সমস্ত পদে ‘কর্মা' হয়। যেমন : চন্দ্ৰ চূড়া যার = চন্দ্রচূড়, বিচিত্র কর্ম যার = বিচিত্রকর্মা।
বহুব্রীহি সমাসে ‘সমান' শব্দের স্থানে ‘স’ এবং ‘সহ’ হয়। যেমন : সমান কর্মী যে = সহকর্মী, সমান বৰ্ণ
যার = সমবর্ণ, সমান উদর যাদের = সহোদর।
বহুব্রীহি সমাসে পরপদে ‘গন্ধ’ শব্দ স্থানে ‘গন্ধি’ বা ‘গন্ধা’ হয়। যথা : সুগন্ধ যার = সুগন্ধি, পদ্মের ন্যায় গন্ধ যার = পদ্মগন্ধি, মৎস্যের ন্যায় গন্ধ যার = মৎস্যগন্ধা।
বহুব্রীহি সমাসের প্রকারভেদ
বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার : সমানাধিকরণ, ব্যাধিকরণ, ব্যতিহার, নঞ, মধ্যপদলোপী, প্রত্যয়ান্ত সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি। অলুক
Related Question
View Allপূর্ব পদ পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে কোন সমাস হয়?
-
ক
দ্বন্দ্ব
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
তৎপুরুষ
-
ঘ
বহুব্রীহি
'দশানন' কোন সমাসের উদাহরণ?
-
ক
দ্বন্দ্ব
-
খ
কর্মধারয়
-
গ
বহুব্রীহি
-
ঘ
তৎপুরুষ
'চতুর্ভুজ' শব্দটি কোন সমাসের উদাহরণ?
-
ক
বহুব্রীহি সমাস
-
খ
তৎপুরুষ সমাস
-
গ
দ্বন্দ সমাস
-
ঘ
কর্মধারয় সমাস
কোনটি 'বহুব্রীহি' সমাসের উদাহরণ?
-
ক
বিমনা
-
খ
সজ্জন
-
গ
প্রভাত
-
ঘ
নির্বিঘ্ন
'বেওয়ারিশ' কোন সমাসের উদাহরণ?
-
ক
কর্মধারয়
-
খ
তৎপুরুষ
-
গ
বহুব্রীহি
-
ঘ
দ্বিগু
কোন সমাসের সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো অর্থ বোঝায়?
-
ক
তৎপুরুষ সমাস
-
খ
বহুব্রীহি সমাস
-
গ
অব্যয়ীভাব সমাস
-
ঘ
কর্মধারয় সমাস
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!